বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:১৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাবুগঞ্জে রাতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির ইউএনও বাবুগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের বাবুগঞ্জে জমিতে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত আমরা প্রতিশোধ মূলক কোনো কাজ করব না-জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জে রবি মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে প্রদর্শনীর বীজ ও উপকরণ বিতরণ বরিশালে এনএসআই’র তথ্যের ভিত্তিতে দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান: মানহীন মিষ্টি–আইসক্রিম কারখানায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা বাকেরগঞ্জে অসহায়-হতদরিদ্র পরিবার উপহার পেল ’স্বপ্নকুঞ্জ’ বাবুগঞ্জে বেপরোয়া কিশোরগ্যাং: কলেজ ছাত্রকে মারধরের পর ফেসবুকে পোস্ট বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়নকে ঘিরে উৎসাহ—জনসমর্থনে এগিয়ে অ্যাড. জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জ এলজিইডি’র এলসিএস কমিউনিটি অর্গানাইজার সানজিদার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও হয়রানির অভিযোগ
ঈদে ঝুঁকিপূর্ণ দক্ষিণাঞ্চলের নৌপথ

ঈদে ঝুঁকিপূর্ণ দক্ষিণাঞ্চলের নৌপথ

ঈদে ঝুঁকিপূর্ণ দক্ষিণাঞ্চলের নৌপথ
ঈদে ঝুঁকিপূর্ণ দক্ষিণাঞ্চলের নৌপথ

বরিশাল :

আসছে ঈদুল ফিতর। ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের ১৭ জেলার প্রায় ৫০ লাখ মানুষ এবার আপনজনের কাছে ফিরবেন নদীপথের ৪১টি নৌরুট দিয়ে। তবে নানা সংকটে দক্ষিণাঞ্চলের নৌপথ এখন ঝুঁকিপূর্ণ। কোনো দুর্যোগ ও দুর্ঘটনা মোকাবিলায় নেই তেমন প্রস্তুতি। ঢাকা-বরিশাল নৌপথে লঞ্চ ডুবলে তা উদ্ধারে নেই সক্ষমতাও। লঞ্চ মাস্টারদের অভিযোগ, বরিশালে অভ্যন্তরীণ রুটে ৩৬টি ও দূরপাল্লার রুটে ২০টি লঞ্চ চলাচল করে। প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ১৫ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন লঞ্চে। ঈদে এ সংখ্যা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। নদীতে মাসের পর মাস বিকল অবস্থায় রয়েছে বয়া, বাতি ও বিকন। তার ওপর টাকার বিনিময়ে প্রশিক্ষণ ছাড়াই চালকদের ভুয়া সনদ দেয়া হয়। আর অনিয়ন্ত্রিত মালবাহী নৌযান চলাচলের পাশাপাশি ঝড় মৌসুম হওয়ায় এবার ঈদে ঝুঁকিপূর্ণই থাকছে নৌপথ। বরিশাল নদীবন্দর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. এনামুল হক সুমন বলেন, পুরো বিভাগে মাত্র দুটি নৌফায়ার স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে পটুয়াখালী স্টেশনে জনবল একদমই কম থাকায় বরিশাল থেকে গিয়ে সাপোর্ট দিতে হয়। তবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স আগের চেয়ে অনক আপডেট হয়েছে। এতে বড় ধরনের দুর্যোগ ও দুর্ঘটনা সামাল দেয়া যাবে বলে আশা করা যায়। ঢাকা-বরিশাল নৌপথে বিশালাকৃতির একেকটি লঞ্চের ওজন ১২শ থেকে ১৫শ টন। অপরিদকে নৌযান ডুবলে দেশে উদ্ধারকারী যে চারটি জাহাজ আছে – হামজা, রুস্তম, নির্ভীক ও প্রত্যয় – সব মিলে তার ওজন ক্ষমতা মাত্র ৪শ টন। উদ্ধারকারীরাই বলছেন, বড় লঞ্চ তো দূরে থাক, মাঝারি লঞ্চ ডুবলেও তা উদ্ধারের সক্ষমতা নেই। বরিশাল নদীবন্দর কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক বলেন, আগে লঞ্চগুলো ছোট ছিল; তাই উদ্ধারকারী সরঞ্জামের ধারণক্ষমতাও কম ছিল। এখন লঞ্চগুলো অনেক বড় ও ভারী হচ্ছে। তাই উদ্ধারকারী সরঞ্জামগুলো আপডেট করার চেষ্টা চলছে। আশা করা যায়, দ্রুত বহরে যুক্ত হবে নতুন নতুন উদ্ধারকারী জাহাজ। সংশ্লিষ্টরা জানান, ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ২০২১ সালে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে মারা যান ৪৯ জন। অগ্নিনির্বাপক নৌযান থাকলে হয়তো এত মানুষের প্রাণ যেত না। ফায়ার সার্ভিসের বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার দুই নৌ-ফায়ার স্টেশনে থাকা দুটি অগ্নিনির্বাপক লঞ্চের একটি লক্কড়-ঝক্কড়, আর অন্যটি যুক্ত হয়েছে নতুন করে। কাজেই বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে সামাল দেয়া কঠিন হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2012
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD